নরসিংদীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক শ্যামলের নির্দেশে ছাত্রদল কর্মীর উপরে হামলা

স্টাফ রিপোর্টার : নাহিদ আব্বাস,রায়পুরা পৌরসভা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।সংগঠনের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এই পর্যন্ত ছয়টি রাজনৈতিক মামলার আসামী হয়েছে,জেল খেটেছে বিভিন্ন মেয়াদে চারবার।ইউনিট কমিটিতে মাঠ পর্যায়ে ভূমিকার দরুন জেলার সর্বোচ্চ ইউনিট নরসিংদী জেলা ছাত্রদলে মূল্যায়ন প্রত্যাশী ছিলো।

নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে বঞ্চিত ও অবমূল্যায়িত করা হয়েছে বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথের পরীক্ষিত,ত্যাগী ও নির্যাতিতদের।
নব গঠিত কমিটির রাখা হয়েছে মাই ম্যান আহবায়ক, ইয়াবা ব্যাবসায়ী, বিবাহিত, ডাকাতি মামলার আসামী, হত্যা মামলার আসামী,অপহরণকারী,মানব পাচার মামলার আসামী,হুন্ডা চুরির আসামী ও চাকুরীজীবি সহ বিতর্কিতদের।

এ নিয়ে কমিটি গঠনের পর থেকেই নাহিদ আব্বাস নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটির দাবীতে আন্দোলনে সম্পৃক্ত এবং সেই সাথে ভার্চুয়ালি ফেসবুকে গঠনমূলক সমালোচনায় করে আসছিলো।সমগ্র নরসিংদী জেলার বঞ্চিত ও অবমূল্যায়িত ছাত্রনেতারা নব গঠিত বিতর্কিত কমিটি গঠনের জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নরসিংদীর সন্তান ইকবাল হোসেন শ্যামল কে দায় দিয়ে অবাঞ্চিত করেছিলো।নাহিদ আব্বাস এই আন্দোলনের সম্মুখ সারির ছাত্রনেতা।

নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের বিতর্কিত কমিটি ভেঙে নতুন কমিটির দাবিতে আন্দোলনে নাহিদ আব্বাস

গঠনমূলক সমালোচনায় প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে বিগত ২৮.৬.২০২১ রোজ সোমবার বিকাল চারটায় দিকে নাহিদ আব্বাস এর উপর অলিপুরা ইউনিয়নের নবিয়াবাদ মোড়ে ইকবাল হোসেন শ্যামল সমর্থক আব্দুল্লাহ খান,রাফসান শাওন,রুবেল প্রধান,শাহাপরান সহ ৪/৫ হামলা চালায়।হামলায় নাহিদের নাক,চোঁখ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ সহ সমগ্র শরীরের রক্তাত্ত্ব যখম হয়।রক্তাত্ব অবস্থায় নাহিদ আব্বাস কে এলাকাবাসী উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা তুলাতলি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়।হসপিটালের ইমার্জেন্সিতে রুগীর অবস্থা শঙ্কাজনক হওয়ায় ডাক্তার নাহিদ আব্বাস কে হসপিটালে ভর্তি রাখে।নাহিদ আব্বাস এর নাক দিয়ে সারা রাত অনবরত রক্তক্ষরণের ফলে পরের দিন মঙ্গলবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে রেফার করেন।আহত নাহিদ আব্বাস বর্তমানে নাকের অপারেশন এর জন্য বাসাইল ঢাকা হসপিটালে ভর্তি আছে

যতদূর জানা গেছে এই ব্যাপারে নাহিদ আব্বাস এর পরিবারের পক্ষ থেকে ছাত্রদল সাধারণ ইকবাল হোসেন শ্যামল কে হুকুমের আসামী করে রায়পুরা থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

এই বিষয়ে ভুক্তভোগী নাহিদ আব্বাস এর সাথে যোগাযোগ করা হলে নাহিদ আব্বাস বলেন,বিগত একযুগ এ বিরোধীদল হিসাবে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে আওয়ামীলীগ সরকার ধারা নিপীড়িত ও নির্যাতিত আমি।
কিন্তু গঠনমূলক সমালোচনার কারণে এইবার নিজ সংগঠনের সর্বোচ্চ অভিভাবক ইকবাল হোসেন শ্যামলের প্রতিহিংসার স্বীকার হতে হয়েছে।দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে কতোটা অসাংগঠনিক হলে নিজ থানার তৃণমূলের কর্মীর সাথে এই ধরণের অবিচার করে।

আমি এই অন্যায়ের ন্যায় বিচারের প্রত্যাশায় নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি ও নরসিংদীর বিএনপি’র অভিভাবক খায়রুল কবির খোকন ভাইয়ের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি ।চিকিৎসা শেষে আমাদের তৃণমূলের আস্থা ও ভরসার সর্বশেষ আশ্রয়স্থল ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমানের কাছে ন্যায় বিচার চাইবো।

ভিকটিম নাহিদ আব্বাসের ইকবাল হোসেন শ্যামল কে নিয়ে স্ট্যাটাস

মামলার কেনো ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল কে আসামী করলেন এর উত্তরে নাহিদ আব্বাস বলেন:নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের কমিটি কেন্দ্রিক ইকবাল হোসেন শ্যামল ভাই কে নিয়ে সমালোচনার দরুন আমাকে ফেসবুকে কমেন্টস এ রায়পুরার ইকবাল হোসেন শ্যামল এর পোষ্য আমার উপর হামলাকারীরা ক্রমাগত হুমকি দিয়ে আসছিলো।হামলার দিন হামলা কারী শাওন আমাকে মারা অবস্থায় ফোন দিয়ে বলে:শ্যামল ভাই নাহিদ রে ঠিক মতো পিডানী দিছি,আর কি করতাম?

এই ধরনের আরো খবর